No UPI, Only Cash: Shopkeepers Losing Trust in Digital Payments Amid Rising Frauds
এখন বাজার ও স্থানীয় দোকানে ক্রমশই চোখে পড়ছে একটি সতর্কবার্তা — “ক্যাশ অনলি, ইউপিআই নয়”। একসময়ের ডিজিটাল বিপ্লবের গর্ব ইউপিআই লেনদেন এখন দোকানদারদের কাছে ভরসাহীন হয়ে পড়ছে।
সাইবার বিশেষজ্ঞ এবং দোকানদারদের অভিযোগ, প্রতারকরা নানা কৌশলে ঠকাচ্ছে:
• নকল পেমেন্ট প্রমাণ: প্রতারকরা এডিট করা স্ক্রিনশট বা ভুয়ো নোটিফিকেশন দেখিয়ে বোঝায় যে টাকা পরিশোধ হয়েছে।
• জাল কিউআর কোড: অনেকেই দোকানের আসল কিউআর কোডের জায়গায় নিজেদের কিউআর কোড লাগিয়ে দেয়, ফলে টাকা যায় প্রতারকের অ্যাকাউন্টে।
• ডাবল ফ্রড: আরও ভয়াবহ বিষয়, প্রতারকরা অন্য মানুষকে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নেয়, সেই অবৈধ টাকা নিজেদের অ্যাকাউন্টে আনার পর আবার দোকান থেকে পণ্য কিনতে ব্যবহার করে। পরে যখন ব্যাঙ্ক ও সাইবার ক্রাইম বিভাগ সেই টাকা অবৈধ বলে ধরে ফেলে, তখন দোকানদারের অ্যাকাউন্ট ব্লক করে দেওয়া হয় তদন্তের স্বার্থে।
ছোট দোকানদারদের জন্য এর প্রভাব ভয়াবহ—
• নিজের পরিশ্রমের টাকা মেলে না।
• অ্যাকাউন্ট আনব্লক হতে মাসের পর মাস সময় লেগে যায়।
• পণ্য তো বিক্রি হয়ে গেছে, ফলে ক্ষতির বোঝা কেবল দোকানদারের কাঁধে পড়ে।
ফলেই অনেকে দোকানে বড় অক্ষরে লিখে দিচ্ছেন — “ক্যাশ অনলি” "CASH ONLY"।
ডিজিটাল যুগে নগদ টাকা নিয়ে ঘোরা অনেকের জন্য ঝামেলার, তবে তারা দোকানদারদের দুরবস্থা বুঝতে পারছেন। অনেক গ্রাহক এখন লেনদেনের পরই সরাসরি নগদ অর্থ দিচ্ছেন।
সাইবার বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন—
• দোকানদাররা যেন স্ক্রিনশট নয়, বরং সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাপ থেকে টাকা জমা পড়েছে কিনা যাচাই করেন।
• কিউআর কোড নতুন লাগানো মনে হলে ব্যবহার না করাই ভালো।
• বিশেষ করে সন্দেহজনক বা অপরিচিত ব্যাক্তির কাছ থেকে ডিজিটাল টাকা না নেওয়ায় ভালো
ডিজিটাল ভারতের সাফল্যের কাহিনি নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে। প্রতারণা যতদিন না ঠেকানো যাচ্ছে, ততদিন “ইউপিআই নয়, ক্যাশ অনলি” সাইন আরও বেশি দোকানে ছড়িয়ে পড়বে। আর এর ফলে ভারতের ক্যাশলেস অর্থনীতি গড়ার স্বপ্ন সাময়িকভাবে হলেও ধাক্কা খাচ্ছে।

